দেখা হচ্ছে দুই কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের

শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে দেখা হবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জ্যা-ইনের। ১৯৫০-১৯৫৩ সালে যুদ্ধের পর কোরীয় দ্বীপে উত্তর কোরিয়ার কোনো নেতার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার কোনো নেতার এটাই প্রথম সাক্ষাত। গত এক দশকেরও বেশি সময়ে দু’দেশের মধ্যে এটাই প্রথম উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক।

গত সপ্তাহেই উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন এক ঘোষণায় জানান, তার দেশ সব ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের একটি পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্র খুব দ্রুত বন্ধ করে দেয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জ্যা-ইনের সঙ্গে সাক্ষাতের আগেই নিজেদের পারমাণবিক পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উন। ফলে দুই নেতার মধ্যে সাক্ষাতের পথ অনেকটাই মসৃণ হলো। আগামী জুনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও কিমের বৈঠক হওয়ার কথা। ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে তা হবে যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়ার ইতিহাসে দু’দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে প্রথম বৈঠক।

নতুন এক ঘোষণায় দক্ষিণ কোরিয়ার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টার প্রেসিডেন্ট মুন জ্যা-ইনের সঙ্গে কিম জং উনের সাক্ষাত হবে। দু’দেশের সীমান্তবর্তী পানমুঞ্জমে ওই নেতার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জং সিওক সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, সীমান্তে কিমের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবেই সাক্ষাত করবেন মুন জ্যা ইন।

স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে দশটায় পিস হাউস হিসেবে পরিচিত পানমুঞ্জমে দুই নেতার মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু হবে।

প্রথম সেশনের আলোচনা শেষে দুই নেতা নিজেদের মতো করেই দুপুরের খাবার খাবেন। বিকেলের দিকে দু’দেশের মধ্যে শান্তি এবং সমৃদ্ধির প্রতিক হিসেবে একটি পাইন গাছ রোপন করবেন মুন জ্যা ইন এবং কিম জং উন। দু’দেশের মাটি এবং পানি ব্যবহার করেই গাছটি লাগানো হবে।