আমরা আম্লীগ থেকে ছাগু হইয়া গেলাম !

“আমরা যাহারা অনেক অনেক দিন ধরিয়া ব্লগ দিয়া ইন্টারনেট চালাইতাম, তাহারা প্রায় ই একটা কথা শুনিতাম- আম্লীগ নাকি জামাত এর সাথে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলন করিয়াছে। আমরা যারা আম্লীগকে একাত্তরের চেতনাবাহী দল মনে করিতাম আর বিএনপিকে রাজাকারের দল বলিতাম, তারা তখন বলিতাম – আন্দোলনটা যুগপৎ আছিল। অর্থাৎ, দাবী এক হইলেও দুই দল একত্রে ছিল না। তারা তখন আমাদের আম্লীগ বলিতো, আমরাও নিজেরা নিজেদের আম্লীগ বলিতাম।

আমরা সবাই তখন আম্লীগ আছিলাম।

এর পরে ১/১১ আসিলো আমরা নির্বাচন চাহিলাম। নির্বাচন আসিলো। আমরা আরেকটু আম্লীগ হইলাম। আমরা কহিলাম, যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই। আম্লীগ আসিলো। আসিলো শাহবাগ। আমরা কহিলাম যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসি চাই।

আমরা তখনও আম্লীগ আছিলাম।

এর পর একদিন আম্লীগ দেখিলো, শাহবাগে ড্রাগস হয়, সেক্স হয় – খেকশিয়ালের বিয়া হয়, তখন আম্লীগ আমাদের বলিলো, তুরা নাস্তিক, তুদের সাথে খেলিনা। তুরা পকিত আম্লীগ না – বলিয়াই শাহবাগের বিরিয়ানি লইয়া চম্পট দিয়া দিলো।

আমরা আম্লীগ থেকে নাস্তিক হইয়া গেলাম।

এখন আমরা মুখ খুলিলে, পকিত আম্লীগ এর আর ভালো লাগে না. আমরা বলি, বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা কই? পকিত আম্লীগ আসিয়া বলে, রাজাকার হইসো? আমরা বলিলাম, রামপাল চাইনা। পকিত আম্লীগ বলিলো, কারেন বন্ধ করিয়া দিবো – তখন বাঘের লেজ দিয়া বাতাস খাইও। আমরা বলিলাম, কোটা কমাও। পকিত আম্লীগ আসিয়া বলিলো, হাতুড়ি চেনো? আমরা বলিলাম, নিরাপদ সড়ক চাই. পকিত আম্লীগ আসিয়া বলিলো, শালার সুশীল! গুজব যদি রটাও – দেব গলা টিপে।

আমরা আম্লীগ থেকে সুশীল হইয়া গেলাম।

এদিকে বিন্পি জামাত এক পেকেট মিষ্টি হাতে আসিয়া বলে – আইসো ভাই, চলো আন্দোলন করি. আমরা না করি – কারন আমরা আম্লীগ। আমরা বিন্পি জামাতের সাথে আন্দোলন করিনা। আমরা হাত উঁচায়ে চিৎকার করি “জয় বাংলা!”। বিনপি জামাত চাপাতি ব্যাগে ঢুকাইয়া হাত উঁচায়ে বলে – আন্দোলন! আন্দোলন! পকিত আম্লীগ হাসিয়া বলে – এই যে দেখো, লেজখানা তো বাহির করিলি অবশেষে।

আমরা আম্লীগ থেকে ছাগু হইয়া গেলাম !