শহিদুলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে দেশি-বিদেশি ২৪ সংগঠনের বিবৃতি

প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ও দৃক গ্যালারীর প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলমের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে দেশি-বিদেশি ২৪টি মানবাধিকার সংগঠন।

শুক্রবার দিবাগত রাতে ব্রিটিশ মানবাধিকার সংস্থা ’আর্টিকেল ১৯’ এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে সংগঠনগুলো এ আহ্বান জানায়। গত ৫ আগস্ট শনিবার দিবাগত রাতে শহিদুলকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিবৃতিতে গণমাধ্যমকর্মী, বিশেষত সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দিতে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো হলো- আর্টিকেল ১৯, রিপোর্টার্স উইদআউট বর্ডার্স, কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে), ইন্টারন্যাশনাল ফ্রিডম অব এক্সপ্রেশন এক্সচেঞ্জ (আইফ্যাক্স), ইনডেক্স ফর সেন্সরশিপ,

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জার্মানি, ট্রানসপারেন্সি, ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনস প্রোগ্রাম অন ইন্ডিপিন্ডেন্টে জার্নালিজম এবং ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশ (টিআইবি)

দেশীয় সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বন্ধু ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন,

নাগরিক উদ্যোগ, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, নিজেরা করি, জাগৃতি প্রকাশনী, ফ্রেন্ডস এসোসিয়েশন ফর ইন্টিগ্রেটেড রেভুলেশন (ফেয়ার), শ্রমিক নিরাপত্তা ফোরাম, বয়েজ অব বাংলাদেশ (বিওবি),

অ্যাসিড সারভাইভার্স ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ দলিত ও বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আন্দোলন (বিডিইআরএম), স্টেপস টুওয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট এবং ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স অব ডিজএবলড পিপলস অরগানাইজেশন।

বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলনে গত এক সপ্তাহে ৪০ জনেরও বেশি সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ২২ জন ফটো সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্বপালকালে ছবি/ভিডিও তোলার জন্য হামলার শিকার হন।

বিবৃতিতে এসব হামলাকারীদের, তারা যে দলেরই হোক না কেন, দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ মত প্রকাশের স্বাধীনতা ধারাবাহিকভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে বিবৃতিতে বিতর্কিত আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল,

আইসিটি আইন ও ডিজিটাল সুরক্ষা আইনের সংশোধনের দাবি জানিয়েছে সংগঠণগুলো।