এমাজউদ্দীন আহমদকে আটক করা হলে জামিন দিতে বলেছেন হাইকোর্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদকে মিরপুর থানার তথ্য প্রযুক্তি আইন ও প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন আইনে দায়ের করা দুই মামলায় আটক করা হলে জামিন দিতে বলেছেন হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি মুহাম্মদ আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি কাশেফা হোসেনের বেঞ্চ অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের আগাম জামিনের আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এমাজউদ্দীন আহমদ হাইকোর্টে হাজির হয়ে দুই মামলায় আগাম জামিন প্রার্থনা করেন।

তার পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করেন প্রবীণ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মাসুদ রানা। এ বিষয়ে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, পুলিশ অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদকে গ্রেফতার করলে সঙ্গে সঙ্গে জামিন দিতে বলেছেন আদালত।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এবং একজন বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও বুদ্ধিজীবী। তাকে রাজনৈতিকভাবে এ মামলায় হয়রানী করা হতে পারে। এজন্য তিনি হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন।

আইনজীবীরা জানান, রাজবন্দীর জবানবন্দী নামে একটি বই সম্পাদনা করে অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। ৪৭০ পাতার এই বই এবং ল্যাপটপসহ দুই জনকে সম্প্রতি আটক করে পুলিশ। পলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, ল্যাপটপে এই বইয়ের ভূমিকাসহ কিছু অংশ ছিল।

এই পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য প্রযুক্তি আইন ও প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন আইনে গত ৮ আগস্ট মিরপুর থানায় দায়ের করা দুই মামলায় রাজনসহ দুই জনকে আটক করে পুলিশ।

এ বিষয়ে আইনজীবী মাসুদ রানা জানান, রাজবন্দীর জবানবন্দী নামের বইটির সম্পাদনায় অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের নাম থাকায় এমামলায় তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে এই আশঙ্কায় তিনি হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেন। আদালত শুনানি করে পুলিশ তাকে আটক করলে জামিন দিতে বলা হয়েছে। উৎস- আমাদের সময়